রাজশাহীর গোদাগাড়ী মডেল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল-এর বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও তাকে জড়িয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে অসত্য বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশের অভিযোগ উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছে,দারোগাকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে ও একটি বিশেষ গোষ্ঠী অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে তাকে সরাতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও একের পর এক এসব অসত্য-বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করছে।
এদিকে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ব্যতিত কর্মরত একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক মনগড়া অসত্য খবর প্রকাশ নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সুত্র জানায়,বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, গত ১০ এপ্রিল ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আলিয়ারা বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে ওই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় (জিআর নং-১০৯)। উদ্ধারকৃত ১০০ গ্রাম হেরো ইনের মধ্যে প্রায় ৯০ গ্রাম বিক্রি করে দেন এসআই জুয়েল। বাকি ১০ গ্রাম ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে অবশিষ্ট অংশে মাদক সদৃশ বস্তু মিশিয়ে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। অথচ যে মামলায় হেরোইন উদ্ধার ও বিক্রির কথা বলা হয়েছে,সে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুয়েল না।মামলার আইও না হয়ে তাহলে তিনি উদ্ধারকৃত হেরোইন(মাদক) বিক্রি করলেন কিভাবে ? এতে প্রমাণ হয় এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এছাড়াও বিচার প্রার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে।কিন্ত্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কথা বলা হয়েছে। তবে এবিষয়ে কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি। ফলে এটা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত, অসত্য, মনগড়া অপপ্রচার।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জমির টপসয়েল বা ওপরিভাগের মাটি কাটার সিন্ডিকেট থেকেও নিয়মিত মাসোহারা আদায় এবং উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে।অথচ জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি বা টপসয়েল কাটার বিষয়টি দেখভাল করেন উপজেলা প্রশাসন,এখানে দারোগার কিছু করনীয নাই,তাহলে টাকা নেয়ার সুযোগ কোথায় ? তাছাড়া এবিষয়ে একাধিক স্কেভেটর (ভেকু) ঠিকাদার ও ট্রাক্টর চালকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে,তবে কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারে নি, ফলে এটাও মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
সংবাদে আরো বলা হয়েছে, উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয়।তবে সাফিনা পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে,কিন্ত্ত তাদের এমন কোনো অভিযোগের কথা জানা নাই।আবার যারা খবর প্রকাশ করেছে তারাও কোনো সত্যতা জানাতে পারেনি।
ফলে এটাও মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।এমনকি বিভিন্ন মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে আপোষ-মীমাংসার কথা বলে থানায় ডেকে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করার কথা বলা হয়েছে,তবে গভীর অনুসন্ধানের পরেও এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগও মিথ্যা ও মনগড়া বলেই প্রমানিত হয়। এছাড়াও বলা হয়েছে, গত ৩মে রোববার বিকাল আনুমানিক ৫ টার দিকে সাদা পোশাকে এসআই জুয়েল রানা ও এএসআই মজনু মিয়া পৌরসভার বেলতলা মহল্লায় তার শ্বশুর বাবুল আখতারের বাড়িতে যান। এসয় তারা বাবুল আখতারকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্র দাবি করেন। এনআইডি না দিলে তারা জোরপূর্বক মোবাইলে ছবি তোলেন এবং জরুরি ভিত্তিতে থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে দেখা করতে বলেন।
এখন প্রশ্ন হলো,যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হলে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করতে তার বাড়িতে যাবে এবং তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের চেস্টা করার পাশাপাশি তাকে থানায় ডাকতেই পারেন। দারোগা জুয়েল সেটাই করেছে এখানে তার দোষ কোথায় ? এছাড়াও তিনি যাবার আগে যথারীতি থানায় জিডি(নোট) দিয়ে গেছেন।
এতেই প্রমান হয় অপরাধ আড়াল করতেই তারা দারোগার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন। আবার বলা হয়েছে, বাবুল আখতার একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।
তবে স্থানীয়রা বলছে,বাবুল আখতার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তিনি মাদক ব্যবসা করেই রাতারাতি আঙুল ফুল কলাগাছ হয়েছেন।সরেজমিন তার অতীত ও বর্তমান সম্পদের অনুসন্ধান করা হলেই থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে। বিপুল বিত্তবৈভব কিভাবে বা কোন পথে হয়েছে,তা অনুসন্ধান সময়ের দাবি। এতেই প্রমাণ হয় তারা নিজেদের অপরাধ আড়াল করতেই দারোগার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।তিনি বলেন, তাকে জড়িয়ে যেসকল খবর প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।তিনি এসব সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
স্থানীয়রা বলছে,দারোগাকে ফাঁসিয়ে বসে আনতে ও একটি বিশেষ গোষ্ঠী অনৈতিক সুবিধা না পেয়ে তাকে সরাতে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার ও একের পর এক এসব অসত্য-বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করছে।
এদিকে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রমাণ ব্যতিত কর্মরত একজন দায়িত্বশীল পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে একের পর এক মনগড়া অসত্য খবর প্রকাশ নিয়ে জনমনে মিশ্রপ্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে, উঠেছে সমালোচনার ঝড়।
স্থানীয় সুত্র জানায়,বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, গত ১০ এপ্রিল ভাটোপাড়া এলাকা থেকে ১০০ গ্রাম হেরোইনসহ আলিয়ারা বেগম নামে এক নারীকে আটক করা হয়। পরে ওই ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করা হয় (জিআর নং-১০৯)। উদ্ধারকৃত ১০০ গ্রাম হেরো ইনের মধ্যে প্রায় ৯০ গ্রাম বিক্রি করে দেন এসআই জুয়েল। বাকি ১০ গ্রাম ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়ে অবশিষ্ট অংশে মাদক সদৃশ বস্তু মিশিয়ে জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা হয়। অথচ যে মামলায় হেরোইন উদ্ধার ও বিক্রির কথা বলা হয়েছে,সে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জুয়েল না।মামলার আইও না হয়ে তাহলে তিনি উদ্ধারকৃত হেরোইন(মাদক) বিক্রি করলেন কিভাবে ? এতে প্রমাণ হয় এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।
এছাড়াও বিচার প্রার্থীদের জিম্মি করে অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে।কিন্ত্ত উপজেলার বিভিন্ন এলাকার মানুষের কথা বলা হয়েছে। তবে এবিষয়ে কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য জানাতে পারেনি। ফলে এটা উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত, অসত্য, মনগড়া অপপ্রচার।
প্রকাশিত সংবাদে আরো বলা হয়েছে, জমির টপসয়েল বা ওপরিভাগের মাটি কাটার সিন্ডিকেট থেকেও নিয়মিত মাসোহারা আদায় এবং উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায়ের কথা বলা হয়েছে।অথচ জমির উপরিভাগের উর্বরা মাটি বা টপসয়েল কাটার বিষয়টি দেখভাল করেন উপজেলা প্রশাসন,এখানে দারোগার কিছু করনীয নাই,তাহলে টাকা নেয়ার সুযোগ কোথায় ? তাছাড়া এবিষয়ে একাধিক স্কেভেটর (ভেকু) ঠিকাদার ও ট্রাক্টর চালকের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে,তবে কেউ কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য দিতে পারে নি, ফলে এটাও মনগড়া ও ভিত্তিহীন।
সংবাদে আরো বলা হয়েছে, উপজেলার সাফিনা পার্ক কেন্দ্রিক বিভিন্ন কর্মকাণ্ড থেকেও নিয়মিত অর্থ আদায় করা হয়।তবে সাফিনা পার্ক কর্তৃপক্ষের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে,কিন্ত্ত তাদের এমন কোনো অভিযোগের কথা জানা নাই।আবার যারা খবর প্রকাশ করেছে তারাও কোনো সত্যতা জানাতে পারেনি।
ফলে এটাও মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বানোয়াট।এমনকি বিভিন্ন মামলার বাদী ও বিবাদী উভয় পক্ষকে আপোষ-মীমাংসার কথা বলে থানায় ডেকে এনে ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করার কথা বলা হয়েছে,তবে গভীর অনুসন্ধানের পরেও এমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগও মিথ্যা ও মনগড়া বলেই প্রমানিত হয়। এছাড়াও বলা হয়েছে, গত ৩মে রোববার বিকাল আনুমানিক ৫ টার দিকে সাদা পোশাকে এসআই জুয়েল রানা ও এএসআই মজনু মিয়া পৌরসভার বেলতলা মহল্লায় তার শ্বশুর বাবুল আখতারের বাড়িতে যান। এসয় তারা বাবুল আখতারকে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত বলে উল্লেখ করে জাতীয় পরিচয়পত্র দাবি করেন। এনআইডি না দিলে তারা জোরপূর্বক মোবাইলে ছবি তোলেন এবং জরুরি ভিত্তিতে থানায় গিয়ে ওসির সঙ্গে দেখা করতে বলেন।
এখন প্রশ্ন হলো,যেকোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ হলে পুলিশ কর্মকর্তা তদন্ত করতে তার বাড়িতে যাবে এবং তথ্য প্রমাণ সংগ্রহের চেস্টা করার পাশাপাশি তাকে থানায় ডাকতেই পারেন। দারোগা জুয়েল সেটাই করেছে এখানে তার দোষ কোথায় ? এছাড়াও তিনি যাবার আগে যথারীতি থানায় জিডি(নোট) দিয়ে গেছেন।
এতেই প্রমান হয় অপরাধ আড়াল করতেই তারা দারোগার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছেন। আবার বলা হয়েছে, বাবুল আখতার একজন শ্রমজীবী মানুষ। তিনি ঢাকায় নির্মাণ শ্রমিকের কাজ করেন।
তবে স্থানীয়রা বলছে,বাবুল আখতার তালিকাভুক্ত মাদক ব্যবসায়ী। তিনি মাদক ব্যবসা করেই রাতারাতি আঙুল ফুল কলাগাছ হয়েছেন।সরেজমিন তার অতীত ও বর্তমান সম্পদের অনুসন্ধান করা হলেই থলের বেড়াল বেরিয়ে আসবে। বিপুল বিত্তবৈভব কিভাবে বা কোন পথে হয়েছে,তা অনুসন্ধান সময়ের দাবি। এতেই প্রমাণ হয় তারা নিজেদের অপরাধ আড়াল করতেই দারোগার বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা অভিযোগ করেছেন।
এবিষয়ে জানতে চাইলে উপ-পরিদর্শক (এসআই) জুয়েল বলেন, তাকে সামাজিকভাবে হেয়ওপ্রতিপন্ন করতেই তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে।তিনি বলেন, তাকে জড়িয়ে যেসকল খবর প্রকাশ করা হয়েছে তা সম্পুর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন, মনগড়া ও উদ্দেশ্যেপ্রণোদিত।তিনি এসব সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান।
আলিফ হোসেন